Back to publications
Narrative 2026-03-06

চীনের টাকা, চীনের শর্ত

বিআরআই ঋণের শর্ত ও ঝুঁকি

চীনের টাকা, চীনের শর্ত

পর্ব ১: হাম্বানটোটার ভূত

শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলে একটা ছোট মাছ ধরার শহর ছিল। নাম হাম্বানটোটা। জনসংখ্যা ১২,০০০। কেউ এই শহরের নাম জানতো না। তারপর ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মাহিন্দা রাজাপাকসা (হাম্বানটোটা তার নির্বাচনী এলাকা) একটা বিশাল পরিকল্পনা নিলেন: এখানে একটা আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর বানাবো। বিশ্বমানের। সিঙ্গাপুরের সাথে প্রতিযোগিতা করবে।

টাকা কোথা থেকে আসবে? চীন থেকে। চায়না এক্সিম ব্যাংক দিলো ঋণ। প্রথম ফেজে ৩০.৭ কোটি ডলার, সুদের হার ৬.৩%। দ্বিতীয় ফেজে আরো ৭৮ কোটি ডলার। মোট ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

বাংলাদেশ এখনো সেই সীমার নিচে, কিন্তু দূরত্ব কমছে। আর এখানে ভূ-রাজনৈতিক দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ।
৩০.৭ কোটি ডলার
হাম্বানটোটার ভূত
প্রায় ৩,৬০০ কোটি টাকা
চীনের অর্থ, চীনের প্রকল্প
০.০১%
শর্তের ফাঁদ

বন্দর তৈরি হলো। সুন্দর, চকচকে, আধুনিক। কিন্তু একটা সমস্যা: জাহাজ আসে না। ২০১২ সালে বন্দরে ৩৪টা জাহাজ এসেছিল। সিঙ্গাপুরে আসে বছরে ১.৩ লাখ। হাম্বানটোটা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে খালি বন্দরগুলোর একটা।

আয় নেই, কিন্তু ঋণের কিস্তি আসছে। শ্রীলঙ্কা পারছে না শোধ করতে। ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কা সরকার চীনের কাছে হাম্বানটোটা বন্দর ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়ে দিলো। বিনিময়ে ঋণ মওকুফ। একটা সার্বভৌম দেশ তার নিজের মাটির একটা অংশ ৯৯ বছরের জন্য হারালো। ঋণ শোধ করতে না পারার কারণে।

এই গল্পটা কেন বলছি?

কারণ বাংলাদেশেও চীন থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হচ্ছে। পায়রা সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলী টানেল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেলপথ। প্রশ্ন হলো: বাংলাদেশ কি হাম্বানটোটার পথে হাঁটছে?


পর্ব ২: চীনের অর্থ, চীনের প্রকল্প

বাংলাদেশে চীনা ঋণ ও বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি শুরু হয় ২০১৬ সালে, যখন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ঢাকা সফরে এলেন। সেই সফরে ২৪ বিলিয়ন ডলারের "প্রতিশ্রুতি" হলো। ২৭টি প্রকল্প। মিডিয়ায় উৎসবের মতো পরিবেশ।

কিন্তু প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়ন এক জিনিস না।

এই চার্টটা দেখুন। ২০১৬ সালের পর থেকে চীনা ঋণের প্রতিশ্রুতি ও প্রকৃত বিতরণ। প্রতিশ্রুতি ছিল ২৪ বিলিয়ন ডলার। প্রকৃত বিতরণ? ১০ বিলিয়নের কাছাকাছি। বিশাল ব্যবধান। অনেক প্রকল্প শুরুই হয়নি। কিছু আটকে আছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়, কিছু অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা প্রমাণ করতে পারেনি।

যে প্রকল্পগুলো চলছে বা শেষ হয়েছে, সেগুলো কী?

কর্ণফুলী টানেল, বাংলাদেশের প্রথম নদীর নিচের সুড়ঙ্গ। খরচ প্রায় ৩,৬০০ কোটি টাকা। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (১,৩২০ মেগাওয়াট), পায়রা বন্দর, দশেরকান্দি পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্প, ঢাকা-পাইলট ট্রেন সিগন্যালিং, আরো অনেক কিছু।

প্রতিটা প্রকল্পের পেছনে দুটো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা দরকার। প্রথমত, শর্ত কী? দ্বিতীয়ত, এই শর্তে ঋণ নেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ?


পর্ব ৩: শর্তের ফাঁদ

ঋণের শর্ত বোঝা সোজা। তিনটা জিনিস দেখতে হয়: সুদের হার কত, কত বছরে শোধ করতে হবে, আর গ্রেস পিরিয়ড (সুদ শুরু হওয়ার আগে কত সময় পাওয়া যায়) কত।

এবার তুলনা করুন:

জাপানের ঋণ (JICA মাধ্যমে): সুদের হার ০.০১%, পরিশোধকাল ৪০ বছর, গ্রেস পিরিয়ড ১০ বছর। বিশ্বব্যাংকের ঋণ (IDA): সুদের হার ০.৭৫%, পরিশোধকাল ৩৮ বছর, গ্রেস পিরিয়ড ৬ বছর। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB): সুদের হার ১-২%, পরিশোধকাল ২৫-৩২ বছর।

আর চীন? চায়না এক্সিম ব্যাংকের ঋণ: সুদের হার ২-৩%, পরিশোধকাল ২০ বছর, গ্রেস পিরিয়ড ৫ বছর। কিছু বাণিজ্যিক ঋণে সুদ ৪-৬% পর্যন্ত।

সোজা কথায়, চীনের ঋণ জাপানের চেয়ে ২০০-৩০০ গুণ বেশি সুদে। পরিশোধকাল অর্ধেক। গ্রেস পিরিয়ড অর্ধেক।

কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে: তাহলে কেন চীনের কাছ থেকে নিচ্ছি? উত্তর জটিল। জাপান ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ পেতে সময় লাগে, প্রক্রিয়া দীর্ঘ, শর্ত অনেক (পরিবেশগত, সামাজিক, সুশাসন)। চীন দ্রুত দেয়, কম প্রশ্ন করে, রাজনৈতিক শর্ত আরোপ করে না (অন্তত প্রকাশ্যে)। কিন্তু অর্থনৈতিক শর্ত? সেটা ভিন্ন গল্প।

চীনা ঋণের অনেক ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ শর্ত থাকে। চীনা ঠিকাদার ব্যবহার করতে হবে। চীনা শ্রমিক আনতে হবে। চীনা যন্ত্রপাতি কিনতে হবে। মানে ঋণের একটা বড় অংশ আবার চীনেই ফিরে যায়। স্থানীয় অর্থনীতিতে যত টাকা থাকে, তা সীমিত।

এবার দেখুন, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণে চীনের অংশ কত।

২০১০ সালে চীনা ঋণ ছিল বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ১% এরও কম। ২০২৫ সালে? প্রায় ৬-৭%। সংখ্যাটা এখনো ছোট মনে হতে পারে। কিন্তু বৃদ্ধির হার দেখুন। আর মোট ঋণের পরিমাণ দেখুন। ৬-৭ বিলিয়ন ডলার। এটা বাংলাদেশের পুরো বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের কাছাকাছি।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: এই ঋণ বাড়ছে, জাপান ও বিশ্বব্যাংকের তুলনায় অনেক দ্রুত।


পর্ব ৪: সাবধানতার গল্প

হাম্বানটোটা একমাত্র উদাহরণ না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চীনা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) ঋণ নিয়ে সমস্যা হয়েছে। কয়েকটা দেখুন।

শ্রীলঙ্কা। ২০২২ সালে দেশটি দেউলিয়া হয়ে গেল। বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে পারেনি। রিজার্ভ শূন্য। জ্বালানি সংকট, খাদ্য সংকট, রাজনৈতিক সংকট। চীনা ঋণ তাদের মোট বৈদেশিক ঋণের প্রায় ১৫% ছিল। সবচেয়ে বড় ঋণদাতা না, কিন্তু সবচেয়ে কঠিন শর্তের ঋণদাতা। শ্রীলঙ্কা যখন ঋণ পুনর্গঠনের জন্য আলোচনা করলো, চীন সবচেয়ে দেরিতে রাজি হলো, সবচেয়ে কম ছাড় দিলো।

পাকিস্তান। CPEC (চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর), ৬২ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প। রাস্তা, বন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, অর্থনৈতিক অঞ্চল। শুনতে দারুণ। বাস্তবে? বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য পাকিস্তান সরকারকে ক্ষমতা ক্রয় চুক্তি (PPA) অনুযায়ী বছরে বিলিয়ন ডলার দিতে হচ্ছে, বিদ্যুৎ ব্যবহার হোক বা না হোক। গোয়াদার বন্দর? চীনের ব্যবস্থাপনায়, পাকিস্তানি জেলেদের প্রবেশ নিষেধ। CPEC ঋণের কিস্তি পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটকে আরো গভীর করেছে।

জাম্বিয়া। কেনেথ কাউন্ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চীনা ঋণে নির্মিত। ২০২০ সালে গুজব ছড়ালো যে ঋণ শোধ না করতে পারলে বিমানবন্দর চীনের হাতে চলে যাবে। সরকার অস্বীকার করলেও, জাম্বিয়া ২০২০ সালে আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে কোভিড যুগে দেউলিয়া হলো। চীনা ঋণ পুনর্গঠন তিন বছর আটকে রইলো।

জিবুতি। ক্ষুদ্র আফ্রিকান দেশ, জিডিপি মাত্র ৩.৫ বিলিয়ন ডলার। চীনা ঋণ জিডিপির ৪০% এর বেশি। চীনের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি জিবুতিতে। ঋণ আর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ হাত ধরাধরি করে এগিয়েছে।

এবার দেখুন, বৈশ্বিকভাবে কারা চীনের কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণী।

পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, লাওস, জাম্বিয়া, কেনিয়া, মায়ানমার, ইথিওপিয়া, এদের সাথে বাংলাদেশও তালিকায় আছে। এখনো উপরের দিকে না, কিন্তু ঋণ বাড়ছে।


পর্ব ৫: বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়িয়ে?

এবার বাংলাদেশের নিজের অবস্থানটা দেখি। ঋণ শোধ করার সক্ষমতা কেমন?

ঋণ সেবা অনুপাত (Debt Service Ratio) দেখায় যে রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধে যাচ্ছে। ২০১৫ সালে এটা ছিল প্রায় ৫%। ২০২৫ সালে? ১৫% এর কাছাকাছি। তিন গুণ বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ২০% এর উপরে গেলে "উদ্বেগজনক" বলা হয়। বাংলাদেশ এখনো সেই সীমার নিচে, কিন্তু দূরত্ব কমছে।

আর এখানে ভূ-রাজনৈতিক দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে ভারত আর চীনের মাঝখানে। দুই পরাশক্তির স্বার্থের সংঘর্ষস্থলে। আমেরিকা ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। জাপান দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী।

দেখুন, বাংলাদেশ কার কাছ থেকে কত ঋণ ও সাহায্য নিচ্ছে। জাপান সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় ঋণদাতা। বিশ্বব্যাংক সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় ঋণদাতা। চীন দ্রুত বাড়ছে। ভারত কিছু দিচ্ছে (ক্রেডিট লাইন)। আমেরিকা সরাসরি ঋণ কম দেয়, বাণিজ্যিক সম্পর্কে বেশি আগ্রহী।

বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো ভারসাম্য রাখা। একটা দেশের উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া বিপজ্জনক। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, লাওস, এরা সেই ভুল করেছে। বাংলাদেশের উচিত ঋণের উৎস বৈচিত্র্যময় রাখা। যেখানে সুদ কম, শর্ত ন্যায্য, সেখান থেকে নেওয়া।

কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: ঋণ নিয়ে যে প্রকল্প করা হচ্ছে, সেগুলো কি আয় তৈরি করছে? পায়রা বন্দর কি পর্যাপ্ত জাহাজ পাচ্ছে? বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কি সম্পূর্ণ ক্ষমতায় চলছে? কর্ণফুলী টানেল কি চট্টগ্রামের অর্থনীতি বদলে দিচ্ছে?

যদি প্রকল্পগুলো আয় তৈরি করে, ঋণ শোধ হবে। যদি না করে, বাংলাদেশ আরেকটা হাম্বানটোটার দিকে এগোবে।

এই চার্টে তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি দেখানো হয়েছে। প্রথমত, যদি জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭% থাকে (আশাবাদী), ঋণ-জিডিপি অনুপাত নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দ্বিতীয়ত, যদি প্রবৃদ্ধি ৫% এ নেমে আসে (বাস্তবসম্মত), অনুপাত ধীরে ধীরে বাড়বে। তৃতীয়ত, যদি প্রবৃদ্ধি ৩% এ নেমে যায় (হতাশাবাদী, যেমন বৈশ্বিক মন্দা বা রাজনৈতিক অস্থিরতা), ঋণ-জিডিপি অনুপাত বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাবে।

বাংলাদেশ এখনো ঋণ ফাঁদে পড়েনি। এটা স্পষ্ট করে বলা দরকার। কিন্তু প্রবণতাটা ভুল দিকে যাচ্ছে। চীনা ঋণ দ্রুত বাড়ছে, শর্ত কঠিন, প্রকল্পের আয় অনিশ্চিত, ঋণ সেবা অনুপাত বাড়ছে।


আসুন শেষ করি যেখানে শুরু করেছিলাম।

হাম্বানটোটা বন্দরে আজও জাহাজ খুব কম আসে। কিন্তু চীনা নৌবাহিনীর জাহাজ মাঝে মাঝে সেখানে ভেড়ে। একটা বাণিজ্যিক বন্দরের কথা বলে শুরু, শেষে কৌশলগত ঘাঁটি। এটাই ঋণ কূটনীতির সবচেয়ে ভয়ের দিক: আপনি ভাবছেন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, কিন্তু আসলে ভূ-রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের সামনে দুটো পথ।

প্রথম পথ: চীনা ঋণ নিতে থাকুন, শর্তের দিকে তাকাবেন না, প্রকল্পের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা যাচাই করবেন না। এই পথে হাম্বানটোটা, গোয়াদার, হ্যামবার্গ নয়, কিন্তু পায়রা বা মাতারবাড়ি হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নিজস্ব সতর্কতামূলক গল্প।

দ্বিতীয় পথ: ঋণ নিন, কিন্তু বুদ্ধিমানের মতো। প্রতিটা প্রকল্পের জন্য প্রকাশ্য ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ করুন। চীনা, জাপানি, বিশ্বব্যাংক, সবার কাছ থেকে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র নিন। শর্তগুলো সংসদে পেশ করুন, জনগণকে জানান। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করুন।

একটা প্রবাদ আছে: "যখন কেউ আপনাকে বিনা কারণে অনেক টাকা দিতে চায়, জিজ্ঞেস করুন কারণটা কী।"

চীন বাংলাদেশকে কেন এত ঋণ দিতে চায়? ভারত মহাসাগরে প্রবেশাধিকার? সামরিক ঘাঁটির সম্ভাবনা? জাতিসংঘে ভোট? নাকি সত্যিই বাংলাদেশের উন্নয়নে আগ্রহ?

এই প্রশ্নের উত্তর না খুঁজে ঋণ নেওয়া মানে চোখ বুঁজে চুক্তিতে সই করা। আর চোখ বুঁজে চুক্তিতে সই করলে কী হয়, সেটা হাম্বানটোটাকে জিজ্ঞেস করুন।

Created: 2026-03-07 03:06:27 Updated: 2026-03-07 14:41:50