Back to publications
Narrative 2026-03-06

ডিজিটাল বাংলাদেশ, এনালগ জেলা

ইন্টারনেটের বৈষম্যে দুই বাংলাদেশ

ডিজিটাল বাংলাদেশ, এনালগ জেলা

পর্ব ১: দুই পর্দা, দুই পৃথিবী

ঢাকার উত্তরায় একটা ফ্ল্যাটে বসে আছে রাফি। বয়স ১৯, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষ। সামনে ল্যাপটপ, ব্রডব্যান্ড কানেকশন ৫০ Mbps। Coursera-তে একটা ডেটা সায়েন্সের কোর্স চলছে। পাশাপাশি ChatGPT-তে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন করছে। YouTube-এ টিউটোরিয়াল দেখছে। ক্লাসের নোটস Google Drive-এ। গ্রুপ প্রজেক্টের কাজ Zoom-এ হচ্ছে আজ রাতে। রাফির জন্য ইন্টারনেট বাতাসের মতো, চারপাশে আছে, না থাকলে শ্বাস বন্ধ।

এবার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চলুন। বান্দরবানের রুমা উপজেলায় থাকে মিতু। বয়স ১৮, সরকারি কলেজে প্রথম বর্ষ। মিতুর বাড়িতে ইন্টারনেট নেই। মোবাইলে 2G নেটওয়ার্ক, কখনো কখনো ধরে, কখনো ধরে না। YouTube-এর একটা ভিডিও লোড হতে ২০ মিনিট লাগে। বেশিরভাগ সময় থেমে যায়। Google-এ কিছু সার্চ করতে গেলে পেজ লোড হয় না। মিতু পরীক্ষার আগে উপজেলা সদরের একটা দোকানে যায় যেখানে "Wi-Fi ভাড়া" পাওয়া যায়। ঘণ্টায় ৩০ টাকা। সেখানে বসে নোটস ডাউনলোড করে, পিডিএফ সংগ্রহ করে। তারপর বাড়ি ফিরে অফলাইনে পড়ে।

একই দেশ, একই সরকার, কিন্তু ইন্টারনেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা আর বান্দরবানের মধ্যে পার্থক্য পাঁচ গুণ।
প্রায় ১০ কোটি মানুষ
সংখ্যার বাস্তবতা
১০০-২০০ টাকা
সরকারি সেবা, ডিজিটাল স্বপ্ন আর বাস্তব
১.৩৮%
হারানো সম্ভাবনা, আর এখনো যা সম্ভব

রাফি আর মিতু একই দেশের নাগরিক। একই পাঠ্যক্রম, একই পরীক্ষা, একই যুগে জন্ম। কিন্তু একজন একুশ শতকে বাস করছে, আরেকজন বিশ শতকে আটকে আছে।

এটা কোনো রূপক না। এটা বাংলাদেশের ডিজিটাল বিভাজনের আক্ষরিক চেহারা। একই দেশে দুটো সম্পূর্ণ আলাদা বাস্তবতা পাশাপাশি চলছে। "ডিজিটাল বাংলাদেশ" স্লোগানটা আমরা বহু বছর ধরে শুনছি। কিন্তু কতটা ডিজিটাল? কার জন্য ডিজিটাল?

সংখ্যাগুলো দেখলে উত্তরটা পরিষ্কার হয়ে যায়।


পর্ব ২: সংখ্যার বাস্তবতা

প্রথমে পুরো ছবিটা দেখি। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কত?

২০১০ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল মোট জনসংখ্যার ৩.৭%। ২০২৫ সালে সেটা প্রায় ৪০%। পনেরো বছরে বিশাল অগ্রগতি, সন্দেহ নেই। কিন্তু ৪০% মানে বাকি ৬০% এখনো ইন্টারনেটের বাইরে। প্রায় ১০ কোটি মানুষ। একটা পুরো জার্মানির সমান জনসংখ্যা ডিজিটাল পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন।

আর এই ৪০% সমানভাবে ছড়িয়ে নেই। বিভাগ অনুযায়ী ইন্টারনেট প্রবেশগম্যতা দেখলে আসল ছবিটা বের হয়।

ঢাকায় ইন্টারনেট অ্যাক্সেস ৭৮%। চট্টগ্রামে ৪৫%। সিলেটে ৩৫%। রংপুরে ২৬%। ময়মনসিংহে ২২%। বরিশালে ২০%। আর পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায়? ১৫%-এর নিচে। একই দেশ, একই সরকার, কিন্তু ইন্টারনেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা আর বান্দরবানের মধ্যে পার্থক্য পাঁচ গুণ।

এবার একটু গভীরে যাওয়া যাক। ইন্টারনেট বলতে আসলে কী বোঝাচ্ছি? মোবাইল ইন্টারনেট, না ব্রডব্যান্ড?

বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রায় ৯৫% মোবাইল ইন্টারনেটে নির্ভরশীল। ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সংযোগ মাত্র ১.৩ কোটি, যার প্রায় ৭০% শুধু ঢাকা আর চট্টগ্রামে। মোবাইল ইন্টারনেট মানে ফেসবুক চলে, ইমো চলে, কিন্তু অনলাইন কোর্স করা, ভিডিও কনফারেন্স, ক্লাউড-ভিত্তিক কাজ, এগুলো প্রায় অসম্ভব। 2G আর 3G দিয়ে আধুনিক ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় না।

কিন্তু যাদের কাছে নেটওয়ার্ক পৌঁছেছে, তারা সবাই কি ব্যবহার করতে পারছে? না। কারণ আরেকটা দেয়াল আছে। সেটা দামের দেয়াল।

ITU আর A4AI-এর হিসাবে, সবচেয়ে গরিব ২০% মানুষের জন্য ১ জিবি মোবাইল ডেটার দাম তাদের মাসিক আয়ের ১২% এর বেশি। জাতিসংঘের সংজ্ঞায়, ইন্টারনেট "সাশ্রয়ী" হতে হলে ১ জিবি ডেটার দাম মাসিক আয়ের ২%-এর বেশি হওয়া উচিত না। বাংলাদেশে সবচেয়ে ধনী ২০%-এর জন্য সেটা ০.৫%। কিন্তু নিচের ২০%-এর জন্য? বারো গুণ বেশি। একই দেশে একজনের জন্য ইন্টারনেট পানির দামে, আরেকজনের জন্য বিলাসিতা।

নেটওয়ার্ক নেই, গতি নেই, সামর্থ্য নেই। এই তিন স্তরের বাধায় বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ ডিজিটাল পৃথিবী থেকে কার্যত বাদ পড়ে গেছে। কিন্তু যারা বাদ পড়ছে, তারা শুধু ভিডিও দেখা বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না। বঞ্চিত হচ্ছে অর্থনৈতিক সুযোগ থেকেও। সেটা বুঝতে হলে MFS-এর গল্পটা দেখতে হবে।


পর্ব ৩: টাকার ডিজিটাল বিভাজন

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল সাফল্যের গল্প সম্ভবত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (MFS)। বিকাশ, নগদ, রকেট, এগুলো বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিপ্লব এনেছে। কিন্তু এই বিপ্লবও সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

শহরে MFS অ্যাকাউন্ট ধারীর হার ৭২%। গ্রামে? ৩৮%। প্রান্তিক এলাকায়, যেমন হাওর, চরাঞ্চল, পার্বত্য অঞ্চল, সেটা ১৫%-এর নিচে। গ্রামে যারা অ্যাকাউন্ট খুলেছে তাদেরও বেশিরভাগ ক্যাশ-ইন আর ক্যাশ-আউটের বাইরে কিছু করে না। পেমেন্ট, সঞ্চয়, বিমা, ঋণ, এসব ডিজিটাল সেবা শহরকেন্দ্রিকই রয়ে গেছে।

গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো নগদ টাকার উপর চলে। সবজি বিক্রি? নগদ। দিনমজুরের মজুরি? নগদ। মাছের আড়তে বেচাকেনা? নগদ। এই নগদনির্ভরতার মানে হলো লেনদেনের রেকর্ড নেই, ঋণের ইতিহাস নেই, সঞ্চয়ের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেই। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই মানুষদের ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পারে না, ফলে ঋণ দেয় না। একটা দুষ্টচক্র, ডিজিটাল ব্যবস্থায় নেই বলে আর্থিক সেবা পায় না, আর্থিক সেবা না পাওয়ায় ডিজিটালে আসার প্রয়োজনও অনুভব করে না।

ই-কমার্সের চিত্রটা আরো স্পষ্ট।

বাংলাদেশের ই-কমার্স লেনদেনের ৮৫%-এর বেশি শুধু ঢাকায় হয়। চট্টগ্রামে ৭%। বাকি ৬ বিভাগ মিলিয়ে ৮%। মানে সারা বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি কার্যত একটা শহরের অর্থনীতি। গ্রামের কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারছে না। গ্রামের কারিগর তার হস্তশিল্প দেশের বাজারে পৌঁছাতে পারছে না। পুরো গ্রামীণ অর্থনীতি ডিজিটাল বাণিজ্যের বাইরে।


পর্ব ৪: সরকারি সেবা, ডিজিটাল স্বপ্ন আর বাস্তব

বাংলাদেশ সরকারের a2i (Access to Information) প্রকল্প একটা উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ। জমির রেকর্ড অনলাইনে, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ডিজিটালে, পাসপোর্ট আবেদন অনলাইনে, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC) প্রতিটা ইউনিয়নে। কাগজে পরিকল্পনা চমৎকার। কিন্তু বাস্তবে?

ইন্টারনেট দিয়ে মৌলিক কাজ করতে পারে, যেমন তথ্য খোঁজা, ফর্ম পূরণ, ইমেইল পাঠানো, এমন মানুষ ঢাকা বিভাগে ৫২%। রংপুরে ১৪%। বরিশালে ১২%। ময়মনসিংহে ১০%।

ডিজিটাল সেবা আছে, কিন্তু ডিজিটাল সাক্ষরতা নেই। ল্যান্ড পোর্টালে জমির রেকর্ড অনলাইনে পাওয়া যায়, কিন্তু রংপুরের একজন কৃষক কীভাবে সেটা ব্যবহার করবে যে কখনো ওয়েব ব্রাউজার খোলেনি? UDC আছে, কিন্তু সেখানে গিয়ে একটা জন্ম সনদের আবেদন করতে ১০০-২০০ টাকা "সেবা ফি" দিতে হয়, যেটা আসলে অনানুষ্ঠানিক ফি। অনেক জায়গায় UDC চলেই না, উদ্যোক্তা চলে গেছেন কারণ লাভ হয় না।

শহরে ৩৫% মানুষ কোনো না কোনো সরকারি ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করেছে। গ্রামে সেটা ৮%। প্রান্তিক এলাকায় ৩%। মানে সরকার যে ডিজিটাল সেবা তৈরি করেছে, তার সুবিধা পাচ্ছে মূলত শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত। যাদের জন্য এই সেবা সবচেয়ে বেশি দরকার, দরিদ্র, গ্রামীণ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, তারাই সবচেয়ে কম পাচ্ছে।

এটা শুধু প্রযুক্তির সমস্যা না। এটা নকশার সমস্যা। সেবাগুলো তৈরি হয়েছে শহরের শিক্ষিত ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে। ইংরেজি-বাংলা মেশানো ইন্টারফেস, জটিল ফর্ম, ইমেইল ভেরিফিকেশন, পিডিএফ ডাউনলোড। একজন মানুষ যে জীবনে কখনো কম্পিউটার ব্যবহার করেনি, তার কাছে এগুলো দুর্বোধ্য। সেবা ডিজিটাল হয়েছে, কিন্তু মানুষ ডিজিটাল হয়নি। আর মানুষকে ডিজিটাল না করে শুধু সেবা ডিজিটাল করলে বৈষম্যটা কমে না, বরং নতুন রূপ নেয়।


পর্ব ৫: হারানো সম্ভাবনা, আর এখনো যা সম্ভব

এবার একটু অন্যভাবে ভাবুন। এই ডিজিটাল বিভাজন বন্ধ হলে কী হতে পারে?

বিশ্বব্যাংকের গবেষণা বলছে, ব্রডব্যান্ড প্রবেশগম্যতা ১০% বাড়লে জিডিপি ১.৩৮% বাড়ে। উন্নয়নশীল দেশে এই প্রভাব আরো বেশি, কারণ ভিত্তি নিচু থেকে শুরু। বাংলাদেশে যদি গ্রামীণ ইন্টারনেট প্রবেশগম্যতা বর্তমান ২৫% থেকে ৬০%-এ ওঠানো যায়, তাহলে জিডিপিতে অতিরিক্ত ৪-৫ বিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে। প্রতি বছর।

এটা শুধু তত্ত্ব না। বাস্তব উদাহরণ আছে।

টেলিমেডিসিন। বাংলাদেশের গ্রামে ডাক্তারের অভাব প্রকট। গ্রামীণ এলাকায় প্রতি ১০,০০০ মানুষের জন্য ডাক্তার আছে ১ জনেরও কম। কিন্তু ভালো ইন্টারনেট থাকলে টেলিমেডিসিন কাজ করে। রুমার মিতুর মায়ের ডায়াবেটিসের জন্য চট্টগ্রাম শহর থেকে ভিডিও কলে পরামর্শ নেওয়া সম্ভব। কিন্তু 2G-তে ভিডিও কল চলে না।

দূরশিক্ষা। কোভিড-১৯ মহামারিতে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। শহরের ছেলেমেয়েরা Zoom-এ ক্লাস করেছে, গ্রামের ছেলেমেয়েরা ক্লাসই করতে পারেনি। একটা প্রজন্মের একটা অংশ পিছিয়ে গেছে, চিরতরে।

রিমোট ওয়ার্ক। বিশ্বজুড়ে রিমোট কাজের বিস্ফোরণ হয়েছে মহামারির পর। ভারতের ছোট শহরগুলো থেকে মানুষ ব্যাঙ্গালোর-দিল্লির কোম্পানিতে কাজ করছে, ঘরে বসে। বাংলাদেশে? ঢাকার বাইরে থেকে রিমোট কাজ প্রায় অসম্ভব, কারণ নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট নেই।

ফ্রিল্যান্সিং। বাংলাদেশ Upwork আর Fiverr-এ শীর্ষ দেশগুলোর একটা। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের ৮০%-এর বেশি ঢাকা আর চট্টগ্রামে। কারণ বাকি জায়গায় কাজ ডেলিভার করার মতো ইন্টারনেট নেই।

কৃষি বাজার তথ্য। একজন কৃষক যদি রিয়েল-টাইমে জানতে পারে ঢাকার পাইকারি বাজারে তার ফসলের দাম কত, সে মধ্যস্বত্বভোগীর সাথে দরকষাকষি করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাজার তথ্যে প্রবেশ পেলে কৃষকের আয় ১৫-২০% বাড়ে। কিন্তু তথ্য পেতে ইন্টারনেট লাগে।

প্রতিটা ক্ষেত্রে একই গল্প। সুযোগ আছে, কিন্তু সংযোগ নেই। ডিজিটাল বিভাজন শুধু প্রযুক্তিগত ব্যবধান না, এটা অর্থনৈতিক ব্যবধান, শিক্ষাগত ব্যবধান, স্বাস্থ্যগত ব্যবধান। এটা বৈষম্যের নতুন স্তর।


আসুন শেষ করি যেখানে শুরু করেছিলাম।

রাফি আজ রাতে Coursera-র কোর্সটা শেষ করবে। সার্টিফিকেট পাবে। হয়তো একটা ইন্টার্নশিপ পাবে। তার সামনে পৃথিবীর দরজা খোলা।

বান্দরবানে মিতু আজও Wi-Fi ভাড়ার দোকানে যাবে। ৩০ টাকা দিয়ে এক ঘণ্টা সময় কিনবে। তাড়াহুড়ো করে কিছু নোটস ডাউনলোড করবে। ফেরার পথে ভাববে, ঢাকায় থাকলে জীবনটা অন্যরকম হতো।

"ডিজিটাল বাংলাদেশ" স্লোগান দিয়ে শুরু হয়েছিল যে স্বপ্ন, তার অর্ধেক এখনো স্বপ্নই আছে। ঢাকা ডিজিটাল হয়েছে, বাংলাদেশ হয়নি। ফাইবার অপটিক কেবল ঢাকার গলিতে পৌঁছেছে, কিন্তু বান্দরবানের পাহাড়ে পৌঁছায়নি। 5G-র পরিকল্পনা হচ্ছে, কিন্তু দেশের অর্ধেকে 4G-ও ঠিকমতো কাজ করে না।

প্রশ্নটা সহজ। আমরা কি সত্যিই "ডিজিটাল বাংলাদেশ" চাই, নাকি "ডিজিটাল ঢাকা"? যদি সত্যিই পুরো দেশটাকে সংযুক্ত করতে চাই, তাহলে মিতুর জন্যও রাফির মতো ইন্টারনেট দরকার। শুধু ফেসবুক চালানোর জন্য না, ভবিষ্যৎ তৈরি করার জন্য। সেটা কি আমরা চাই? নাকি দুই বাংলাদেশ নিয়েই আমরা ঠিক আছি?

Created: 2026-03-07 03:06:27 Updated: 2026-03-07 14:41:50