Back to publications
Narrative 2026-03-06

ঈদের অর্থনীতি: কে কত খরচ করে?

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্থান

ঈদের অর্থনীতি: কে কত খরচ করে?

পর্ব ১: ঈদের আগের রাত, রহমানের দোকান

চট্টগ্রামের নিউ মার্কেটে রহমান সাহেবের কাপড়ের দোকান। সারা বছর দিনে বিক্রি হয় ১৫,০০০-২০,০০০ টাকার। ভালো দিনে ৩০,০০০। কিন্তু ঈদের আগের দুই সপ্তাহ? দিনে দেড় লাখ। কোনো কোনো দিন দুই লাখ। রহমান সাহেব বলেন, "সারা বছরের লাভ এই দুই সপ্তাহে।"

রহমান সাহেব একা না। বাংলাদেশের প্রায় ৪০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী ঈদকে ঘিরে বছরের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক মৌসুম পায়। পোশাক, জুতা, প্রসাধনী, খাবার, মিষ্টি, গরু, ছাগল, পরিবহন, সবকিছু মিলিয়ে ঈদের অর্থনীতি একটা বিশাল জগৎ। কিন্তু ঠিক কত বড়?

যতটুকু পারে, ২,০০০-৫,০০০ টাকা, কিন্তু তারাও নতুন কাপড় কেনে, কারণ ঈদে নতুন কাপড় না পরলে সেটা সামাজিক বঞ্চনা।
প্রায় ৮০-৯০ লাখ মানুষ
ঢাকা খালি, বাংলাদেশ সচল
১৫,০০০-২০,০০০ টাকা
ঈদের আগের রাত, রহমানের দোকান
প্রায় ১.২-১.৪ কোটি
কোরবানির হাট, পঞ্চাশ হাজার কোটির বাজার

এই চার্টটা দেখুন।

দুই ঈদে বাংলাদেশের মোট ব্যয় আনুমানিক ১,২০,০০০ কোটি টাকার উপরে। এটা দেশের বার্ষিক GDP-র প্রায় ৩%। শুধু দুটো উৎসবে। তুলনায়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিসমাস সিজনে খুচরা ব্যয় GDP-র প্রায় ৪%। অর্থাৎ ঈদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ক্রিসমাসের কাছাকাছি, অনুপাতের হিসাবে।

কিন্তু দুই ঈদ সমান না। ঈদুল ফিতরের অর্থনীতি আর ঈদুল আযহার অর্থনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রের। ঈদুল ফিতর হলো পোশাক, খাবার, আর উপহারের উৎসব। ঈদুল আযহা হলো পশুর বাজার, একটা বিশাল কৃষি অর্থনীতি যেটা সারা বছর ধরে তৈরি হয়।


পর্ব ২: কোরবানির হাট, পঞ্চাশ হাজার কোটির বাজার

ঈদুল আযহার এক সপ্তাহ আগে ঢাকার গাবতলী। একটা মাঠ, যেখানে সাধারণ দিনে কিছুই নেই, সেটা হঠাৎ পরিণত হয় দেশের বৃহত্তম অস্থায়ী বাজারে। হাজার হাজার গরু, মহিষ, ছাগল। লক্ষ লক্ষ মানুষ। কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এক সপ্তাহে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর কোরবানি হয় প্রায় ১.২-১.৪ কোটি পশু। এর মধ্যে গরু প্রায় ৫০-৫৫ লাখ, ছাগল প্রায় ৬০-৬৫ লাখ, বাকি মহিষ আর ভেড়া। একটা গরুর গড় দাম ৭০,০০০-১,০০,০০০ টাকা। ছাগলের ১৫,০০০-২৫,০০০। পুরো পশু বাজারের আকার?

কোরবানির পশুর বাজার এখন ৫০,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৫ সালে এটা ছিল প্রায় ২৫,০০০ কোটি। দশ বছরে দ্বিগুণ। এই বাজারের পেছনে আছে লক্ষ লক্ষ খামারি যারা সারা বছর ধরে গরু মোটাতাজা করে, ব্যাপারী যারা গ্রাম থেকে শহরে পশু আনে, আর ট্রাকচালক যারা ঈদের আগের সপ্তাহে ঘুম ভুলে যায়।

এই ৫০,০০০ কোটি টাকা কোথায় যায়? বেশিরভাগ যায় গ্রামে। শহরের মানুষ পশু কেনে, সেই টাকা পৌঁছায় গ্রামের খামারিদের হাতে। এটা বছরের সবচেয়ে বড় "শহর থেকে গ্রামে" অর্থ প্রবাহ। কিন্তু মধ্যস্বত্বভোগীরা বড় একটা অংশ নিয়ে নেয়। খামারি যে গরু ৪০,০০০ টাকায় বিক্রি করে, সেটা ঢাকার হাটে ৯০,০০০-১,০০,০০০ টাকায় বিক্রি হয়। পার্থক্যটা যায় ব্যাপারী, পরিবহন, আর হাটের ইজারাদারের পকেটে।


পর্ব ৩: ঢাকা খালি, বাংলাদেশ সচল

ঈদের সবচেয়ে দৃশ্যমান ঘটনা কোনটা? পোশাকের বাজার না, পশুর হাট না। উত্তর হলো: ঢাকা ছাড়া। দুই কোটি মানুষের এই শহর ঈদের আগের তিন-চার দিনে অর্ধেক খালি হয়ে যায়। প্রায় ৮০-৯০ লাখ মানুষ একসাথে বাড়ি যায়। এটা পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ মানব স্থানান্তর, প্রতি বছর, দুবার।

ঈদের আগের সপ্তাহে বাস, ট্রেন, লঞ্চের চাহিদা স্বাভাবিকের ৪-৬ গুণ বেড়ে যায়। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সাধারণ দিনে ৩০-৩৫ হাজার যাত্রী, ঈদের আগে দেড় লাখ। কমলাপুর থেকে প্রতিদিন ২৫টা ট্রেন ছাড়ে, ঈদে বিশেষ ট্রেন মিলিয়ে ৪০-৪৫টা। তারপরও টিকিট পাওয়া যায় না। ছাদে, দরজায়, এমনকি জানালায় ঝুলে মানুষ যায়। প্রতি ঈদে ফেরিঘাটে ৮-১২ ঘণ্টা অপেক্ষা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।

এই পরিবহন সংকটের একটা অর্থনৈতিক মূল্য আছে। ঈদের আগে বাসের ভাড়া ৫০-১০০% বাড়ে। সরকার বলে "অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না", বাস্তবে সবাই জানে কী হয়। একজন শ্রমিক যে সাধারণত ঢাকা থেকে বরিশালে যেতে ৬০০ টাকা দেয়, ঈদে দেয় ১,২০০-১,৫০০। পরিবারসহ গেলে শুধু যাতায়াতেই ৫,০০০-৮,০০০ টাকা। এটা একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের অর্ধেক মাসের বেতন।

কিন্তু এই "ঢাকা খালি" ঘটনাটা আসলে অর্থনীতির জন্য একটা বিশাল ইতিবাচক শক্তি। কারণ এই মানুষগুলো শুধু বাড়ি যায় না, তারা টাকা নিয়ে যায়। বোনাস, সঞ্চয়, উপহার, সব মিলিয়ে ঈদের সময় ঢাকা থেকে গ্রামে যে অর্থ প্রবাহিত হয়, সেটা বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এটা একধরনের "অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স"।


পর্ব ৪: বোনাস, বিকাশ, আর ডিজিটাল ঈদ

ঈদের অর্থনীতির একটা বড় চালিকাশক্তি হলো বোনাস। সরকারি কর্মচারীরা পান মূল বেতনের সমান উৎসব ভাতা। বেসরকারি খাতে চিত্রটা মিশ্র।

সরকারি চাকরিজীবীরা ১০০% বোনাস পান, এটা নিশ্চিত। বড় বেসরকারি কোম্পানিগুলো সাধারণত একটা পূর্ণ বেতন দেয়। কিন্তু ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে? অনেক জায়গায় অর্ধেক বেতন, কোথাও এক-তৃতীয়াংশ। আর অনানুষ্ঠানিক খাত, যেখানে বাংলাদেশের ৮৫% শ্রমিক কাজ করে? সেখানে বোনাস একটা অনিশ্চিত ব্যাপার। রিকশাচালক, দিনমজুর, গৃহকর্মী, এদের কোনো বোনাস নেই। তারা নিজেদের সামান্য সঞ্চয় থেকে ঈদ করে।

ঈদের অর্থনীতিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS)। বিকাশ, নগদ, রকেট, এই তিনটা প্ল্যাটফর্ম ঈদের সময় রেকর্ড লেনদেন দেখে।

ঈদের আশপাশের এক সপ্তাহে MFS লেনদেন স্বাভাবিকের ৩-৪ গুণ বেড়ে যায়। ২০২৫ সালে শুধু বিকাশেই ঈদের সপ্তাহে দৈনিক লেনদেন ছিল ৩,৫০০ কোটি টাকার উপরে, যেখানে সাধারণ দিনে ১,০০০-১,২০০ কোটি। মানুষ শহর থেকে গ্রামে টাকা পাঠায়, পরিবারকে ঈদের খরচ দেয়, অনলাইনে কেনাকাটা করে। MFS ঈদের অর্থনীতিকে আরো দ্রুত, আরো বিস্তৃত করে দিয়েছে। আগে যেখানে টাকা পাঠাতে হতো পরিচিত কারো মাধ্যমে বা মানি অর্ডারে (৩-৫ দিন), এখন সেকেন্ডে পৌঁছে যায়।

প্রবাসী রেমিট্যান্সেও ঈদের প্রভাব স্পষ্ট।

ঈদের আগের মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বছরের গড় মাসিক প্রবাহের চেয়ে ২০-৩৫% বেশি থাকে। ২০২৫ সালে রমজান-ঈদ মৌসুমে (মার্চ-এপ্রিল) রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাকি মাসগুলোর গড় ছিল ২.০-২.২ বিলিয়ন। প্রবাসীরা পরিবারকে ঈদের জন্য বাড়তি টাকা পাঠায়। এই টাকা সরাসরি গ্রামের অর্থনীতিতে ঢোকে: কাপড় কেনা হয়, বাজার হয়, বাড়ি মেরামত হয়।


পর্ব ৫: ঈদের বাজার, দামের আগুন

ঈদ মানে কেনাকাটা। কিন্তু ঈদ মানে দামও বেশি। প্রতি ঈদের আগে একটা অদৃশ্য শক্তি কাজ করে: চাহিদা বাড়ে, সরবরাহ একই থাকে, দাম লাফিয়ে ওঠে।

ঈদের আগের মাসে খাদ্যমূল্য সাধারণ সময়ের চেয়ে ৫-১২% বেশি থাকে। কিছু পণ্যে আরো বেশি। পেঁয়াজ, রসুন, আদা, এগুলোর দাম ঈদের আগে ২০-৩০% বাড়তে পারে। মুরগি, গরুর মাংস, ডিম, এগুলোতে ১৫-২৫%। মিষ্টি, সেমাই, চিনি, এগুলোতে ১০-১৫%। এই মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে, যাদের জন্য ঈদটাই সবচেয়ে বড় আনন্দের উৎসব, কিন্তু সেই আনন্দের খরচ তাদের সামর্থ্যের বাইরে চলে যায়।

গার্মেন্টস খাত ঈদের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাতগুলোর একটা। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পোশাক বাজার এখন প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকার। এর মধ্যে ঈদের ভাগ?

বছরের মোট পোশাক বিক্রির প্রায় ৩৫-৪০% হয় দুই ঈদকে ঘিরে। ঈদুল ফিতরে বেশি, কারণ নতুন জামা-কাপড় এই ঈদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একটা মধ্যবিত্ত পরিবার ঈদে পোশাকে খরচ করে ১০,০০০-২০,০০০ টাকা। উচ্চবিত্ত? ৫০,০০০ থেকে কয়েক লাখ। নিম্নবিত্ত? যতটুকু পারে, ২,০০০-৫,০০০ টাকা, কিন্তু তারাও নতুন কাপড় কেনে, কারণ ঈদে নতুন কাপড় না পরলে সেটা সামাজিক বঞ্চনা।

ঈদের কেনাকাটায় অনলাইনের ভূমিকা দ্রুত বাড়ছে।

ই-কমার্সে ঈদের সপ্তাহে বিক্রি স্বাভাবিকের ৫-৮ গুণ। দারাজ, ইভ্যালি (যতদিন ছিল), চালডাল, ফুডপান্ডা, সবাই ঈদ অফার দেয়। ২০২৫ সালে ঈদ সিজনে অনলাইন খুচরা বিক্রি ছিল প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে সেটা ছিল ৮০০ কোটি। পাঁচ বছরে ৬ গুণ। কোভিডের পর মানুষ অনলাইনে অভ্যস্ত হয়েছে, আর ঈদের ভিড় এড়াতে অনেকে এখন ঘরে বসেই কেনাকাটা করে।


পর্ব ৬: ঈদের গুণক, আর যারা বাদ পড়ে

ঈদের অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর গুণক প্রভাব (multiplier effect)। একটা টাকা যখন ঈদের বাজারে খরচ হয়, সেটা থেমে যায় না। সেটা ঘোরে।

একজন গার্মেন্টস শ্রমিক বোনাসের টাকা দিয়ে কাপড় কেনে। কাপড়ের দোকানদার সেই টাকায় কাপড়ের পাইকারকে দেয়। পাইকার কারখানাকে। কারখানা শ্রমিকদের ওভারটাইম দেয়। সেই শ্রমিকরা বাজার করে। বাজারের সবজিওয়ালা গ্রামে টাকা পাঠায়। গ্রামে কৃষক সেই টাকায় সার কেনে। এভাবে একটা টাকা ৩-৪ বার ঘোরে। অর্থনীতিবিদরা বলেন ঈদের ব্যয়ের গুণক (multiplier) প্রায় ২.৫-৩.৫, অর্থাৎ ১ টাকা ঈদের খরচ GDP-তে ২.৫-৩.৫ টাকার অবদান রাখে।

কিন্তু এই চমকপ্রদ সংখ্যাগুলোর পেছনে একটা কঠিন সত্য লুকিয়ে আছে। ঈদের অর্থনীতি সবার জন্য সমান না।

উচ্চবিত্ত পরিবারের ঈদ: দুই ঈদে খরচ ২-৫ লাখ টাকা। নতুন পোশাক সবার জন্য, বাইরে খাওয়া, ভ্রমণ, কোরবানিতে দামি গরু। এদের জন্য ঈদ সত্যিই উৎসব।

মধ্যবিত্ত পরিবারের ঈদ: খরচ ৩০,০০০-৮০,০০০ টাকা। বোনাসের বেশিরভাগটা ঈদেই শেষ। কিছু ধার করতে হয়, পরের মাসে শোধ দিতে হয়। ঈদ আনন্দের, কিন্তু একটু চাপেরও।

নিম্নবিত্ত পরিবারের ঈদ: খরচ ৫,০০০-১৫,০০০ টাকা। এটুকুও জোগাড় করতে কষ্ট। বাচ্চাদের একটা করে জামা, একটু ভালো খাবার, সেমাই, এটুকুই। কোরবানি? বেশিরভাগ দিতে পারে না। যারা দেয়, তারা ভাগে দেয়, সাত ভাগে একটা গরু।

আর যারা একেবারে নিচে? ভাসমান মানুষ, ছিন্নমূল, চরের মানুষ? তাদের ঈদ নেই। তারা ঈদের দিনেও খালি পেটে থাকে। ঈদের অর্থনীতির ১,২০,০০০ কোটি টাকার মধ্যে তাদের ভাগ শূন্য।


ঈদ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ঘটনা। এটা শুধু ধর্মীয় উৎসব না, এটা একটা অর্থনৈতিক ইঞ্জিন যেটা বছরে দুবার পুরো দেশের অর্থনীতিকে ঝাঁকুনি দেয়। পোশাক শিল্প, পশুপালন, পরিবহন, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, সবকিছু ঈদকে ঘিরে একটা বিশাল চক্র তৈরি করে।

কিন্তু এই চক্রের সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায় না। যে পরিবারটা বোনাস পায়, তার ঈদ আর যে পরিবারটা বোনাস পায় না, তার ঈদ সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা। যে গ্রামে MFS পৌঁছেছে, সেখানে প্রবাসীর টাকা মিনিটে আসে। যে গ্রামে পৌঁছায়নি? সেখানে এখনো পুরনো কষ্ট।

ঈদের অর্থনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটা আয়না। এখানে যা দেখা যায়, সেটা হলো: একটা দেশ যেটা দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু সেই বৃদ্ধির ফল সবাই সমানভাবে পাচ্ছে না। ঈদ আনন্দের। কিন্তু সেই আনন্দের হিসাবটাও সবার সমান না।

রহমান সাহেবের দোকানে দুই সপ্তাহে দেড় লাখ টাকার বিক্রি হয়। আর তাঁর দোকানের সামনে যে রিকশাচালকটা দাঁড়িয়ে থাকে, সে ভাবছে বাচ্চাকে নতুন জামা কেনার টাকাটা কোথা থেকে আসবে।

এই দুটো বাস্তবতা একই ঈদের, একই দেশের, একই দিনের।

Created: 2026-03-07 03:06:27 Updated: 2026-03-07 14:41:50