Back to publications
Narrative 2026-03-06

ভেজাল খাবার: কে খাওয়াচ্ছে বিষ?

ফরমালিন, কীটনাশক, রং, আর খাদ্য নিরাপত্তার ব্যর্থতা

ভেজাল খাবার: কে খাওয়াচ্ছে বিষ?

পর্ব ১: প্রতিদিনের বিষ

ঢাকার কারওয়ান বাজারে সকাল সাতটা। দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজারে তখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। ট্রাকে ট্রাকে আসছে মাছ, সবজি, ফল, মসলা। রেস্তোরাঁর মালিকরা কিনছে, খুচরা ব্যবসায়ীরা কিনছে, গৃহিণীরা কিনছে। কিন্তু কেউ জানে না, এই খাবারের কতটুকু আসলে নিরাপদ।

ধরুন আপনি দশটা জিনিস কিনলেন। চাল, ডাল, তেল, মাছ, সবজি, ফল, দুধ, মসলা, মিষ্টি, পানীয়। গবেষণা বলছে, এর মধ্যে পাঁচটায় কোনো না কোনো ধরনের ভেজাল আছে। অর্ধেক।

কিন্তু ২০২০ এর পর অভিযান কমে গেলো, করোনার অজুহাতে। আর ফরমালিন ফিরে এলো।
১৮ কোটি মানুষ
আইন আছে, প্রয়োগ নেই
৩ কোটি মানুষ
বিষের মূল্য
২০,০০০ টাকা
সমাধান অসম্ভব না

এটা রাজনৈতিক মতামত না। এটা ল্যাবের রিপোর্ট। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA) এবং জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (IPH) মিলে ঢাকার বাজার থেকে ১,৫০০টি খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছিল। ৫০% এর বেশি নমুনায় ভেজাল পাওয়া গেছে।

এই চার্টে দেখুন, BSTI গত দশ বছর ধরে পরীক্ষা চালিয়ে আসছে। প্রতিবারই ভেজালের হার ৪০% থেকে ৫৫% এর মধ্যে ঘুরছে। কখনো সামান্য কমে, কখনো বাড়ে, কিন্তু মূল ছবি বদলায়নি। একটা দশক ধরে প্রতি দুটো খাবারের একটায় বিষ মেশানো আছে, আর আমরা সেটা মেনে নিয়ে খাচ্ছি।

কিন্তু সব খাবারে ভেজালের মাত্রা সমান না। কিছু পণ্য অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক।

মসলা সবার ওপরে। হলুদে সীসাযুক্ত লেড ক্রোমেট মেশানো হয় উজ্জ্বল রঙের জন্য। মরিচের গুঁড়ায় টেক্সটাইল রঙ। ৬৮% মসলার নমুনায় ভেজাল ধরা পড়েছে। দুধে ফরমালিন মেশানো হয় যেন বেশিক্ষণ টেকে (৫৮%)। মাছে ফরমালিন (৫২%)। ফলে কার্বাইড (৪৭%)। তেলে পাম অয়েল মিশিয়ে সয়াবিন বলে বিক্রি (৪২%)। শাকসবজিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক (৪০%)।

এটা শুধু প্রতারণা না। এটা ধীর গতির বিষক্রিয়া। প্রতিদিন, প্রতিটা খাবারে, একটু একটু করে।


পর্ব ২: ফরমালিন, কীটনাশক, আর অদৃশ্য হত্যাকারীরা

সব ভেজালের মধ্যে ফরমালিন সবচেয়ে আলোচিত, আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। ফরমালিন হলো ফর্মালডিহাইডের জলীয় দ্রবণ। এটা মূলত মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। হ্যাঁ, লাশ সংরক্ষণের রাসায়নিক। সেটাই মেশানো হচ্ছে আপনার মাছে, ফলে, দুধে।

কেন? কারণ বাংলাদেশে কোল্ড চেইন নেই বললেই চলে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় মাছ আনতে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা লাগে। বরফ দিলেও গরমে গলে যায়। ফরমালিন দিলে মাছ দুই দিন তাজা দেখায়। ব্যবসায়ীর জন্য সস্তা সমাধান। কিন্তু ভোক্তার জন্য? ক্যান্সার, কিডনি ক্ষতি, শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগ।

২০১৪ সালে ফরমালিন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলো। সরকার ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৫ করলো। RAB, পুলিশ, BFSA মিলে অভিযান চালালো। ফরমালিন শনাক্তের হার ২০১৫ সালে ছিল ৩২%, সেটা ২০১৮ সালে কমে ১৮% হলো। মনে হলো সমস্যা সমাধান হচ্ছে।

কিন্তু ২০২০ এর পর অভিযান কমে গেলো, করোনার অজুহাতে। আর ফরমালিন ফিরে এলো। ২০২৪ সালে আবার ২৫%। ব্যবসায়ীরা বোঝে, অভিযান কিছুদিন চলে, তারপর থেমে যায়। তাই ভয় পায় না।

ফরমালিনের পাশাপাশি আরেকটা নীরব বিষ কাজ করছে: কীটনাশক। বাংলাদেশের কৃষকরা ফসলে যে পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহার করে, তার বড় অংশ ফসল তোলার ঠিক আগে দেওয়া হয়। ফলে শাকসবজি, ফলমূলে কীটনাশকের অবশেষ (pesticide residue) থেকে যায় গ্রহণযোগ্য মাত্রার অনেক ওপরে।

IPH এর পরীক্ষায় ৪০% শাকসবজির নমুনায় সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য সীমার (MRL) চেয়ে বেশি কীটনাশক পাওয়া গেছে। বেগুনে ৫২%, শিমে ৪৮%, টমেটোতে ৪৫%। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানদণ্ডে এগুলো বিক্রি করা যেত না। কিন্তু বাংলাদেশে ধরার কেউ নেই, তাই প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে, আর আমরা খাচ্ছি।

কীটনাশকের প্রভাবও ফরমালিনের মতোই ধীর। স্নায়বিক ক্ষতি, হরমোনজনিত সমস্যা, শিশুদের বিকাশজনিত ত্রুটি, আর দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার। কিন্তু কেউ যখন ক্যান্সারে মারা যায়, তখন রিপোর্টে লেখা হয় "ক্যান্সার"। কেউ লেখে না "বিশ বছর ধরে কীটনাশকযুক্ত সবজি খাওয়ার ফলে ক্যান্সার"।


পর্ব ৩: আইন আছে, প্রয়োগ নেই

বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অভাব নেই। নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩। ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৫। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন। কাগজে কলমে সব ঠিক আছে।

কিন্তু কাগজ থেকে বাস্তবে আসতে গেলে দরকার জনবল, পরীক্ষাগার, আর বাজেট। সেখানেই ভেঙে পড়ছে সব।

BSTI এর আওতায় ১৫৫ ধরনের বাধ্যতামূলক পণ্য আছে যেগুলোর মান পরীক্ষা করা দরকার। কিন্তু পুরো দেশে BSTI এর মাত্র ৬টি পরীক্ষাগার, যেখানে দরকার ৬৪টি (প্রতি জেলায় একটি)। পরিদর্শক আছে ১৩০ জন, যেখানে দরকার ন্যূনতম ২,০০০। BSTI বছরে যত পরীক্ষা চালায়, সেটা মোট বাজারের ১% এরও কম কভার করে। একজন পরিদর্শক কয়েক হাজার প্রতিষ্ঠান দেখবে কীভাবে?

সরকারের আরেকটা হাতিয়ার ছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত। ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজারে গিয়ে ভেজাল পেলে তাৎক্ষণিক জরিমানা করতেন, দোকান সিল করতেন।

২০১৫ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত বেশ সক্রিয় ছিল। ২০১৯ সালে ১২,৫০০ এর বেশি অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু ২০২০ সালে করোনার ধাক্কায় কমে গেলো, তারপর আর আগের মাত্রায় ফেরেনি। ২০২৪ সালে মাত্র ৬,৮০০ অভিযান।

আর জরিমানার পরিমাণ? গড়ে ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা। একজন ব্যবসায়ী যে ভেজাল দিয়ে মাসে লাখ টাকা অতিরিক্ত মুনাফা করছে, তার কাছে ২০,০০০ টাকা জরিমানা ব্যবসার খরচ। ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

মূল সমস্যাটা বাজেটে স্পষ্ট:

বাংলাদেশ সরকার খাদ্য নিরাপত্তা খাতে বছরে ৮০ থেকে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। ১৮ কোটি মানুষের দেশে এটা মাথাপিছু বছরে মাত্র ৫ থেকে ৭ টাকা। প্রতিদিনের হিসাবে? ০.০২ টাকার কম। একটা ম্যাচের কাঠির দামের চেয়ে কম। থাইল্যান্ড মাথাপিছু ৪৫ টাকা খরচ করে, ভারত ১৮ টাকা। আমরা? ৭ টাকা।


পর্ব ৪: বিষের মূল্য

ভেজাল খাবারের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এটা মানুষকে এখনই মারে না। যদি মারতো, মানুষ রাস্তায় নামতো, সরকার ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হতো। কিন্তু ভেজালের প্রভাব ধীর, দীর্ঘমেয়াদি, আর অদৃশ্য।

ফরমালিন খেয়ে কেউ পরদিন মারা যায় না। কিন্তু দশ বছর ধরে ফরমালিনযুক্ত মাছ খেলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, লিভারে সমস্যা দেখা দেয়, ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ে। মানুষ তখন বলে "অসুখ হয়েছে"। কেউ বলে না "ভেজাল খাবারে অসুখ হয়েছে"।

সংখ্যাগুলো ভয়াবহ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ICDDR,B এর হিসাবে বাংলাদেশে খাদ্যজনিত রোগে (foodborne illness) বছরে আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। মৃত্যু? বছরে প্রায় ৫৫,০০০ জন। অর্থনৈতিক ক্ষতি? জিডিপির আনুমানিক ২%, মানে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার। চিকিৎসা খরচ, উৎপাদনশীলতা হ্রাস, আর অকাল মৃত্যু মিলিয়ে।

৯ বিলিয়ন ডলার। পদ্মা সেতুর খরচের আড়াই গুণ। প্রতি বছর। শুধু ভেজাল খাবারের কারণে।

কিন্তু এই হিসাব কেউ করে না। কারণ মৃত্যু সরাসরি "ফরমালিন" বা "কীটনাশক" এর নামে রেকর্ড হয় না। রেকর্ড হয় "কিডনি ফেইলিউর", "লিভার সিরোসিস", "গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার"। কারণ আর ফলাফলের মধ্যে সংযোগটা চিরকাল লুকিয়ে থাকে।

আর সাধারণ মানুষ কতটা সচেতন এই বিষয়ে?

BFSA এর ২০২৩ সালের জরিপে দেখা গেছে, ৭৮% মানুষ জানে যে বাজারে ভেজাল খাবার আছে। কিন্তু মাত্র ১২% জানে কীভাবে ভেজাল শনাক্ত করতে হয়। ভেজাল খাবার কিনে ফেললে অভিযোগ করার উপায় জানে মাত্র ৮%। আর প্রকৃতপক্ষে অভিযোগ করেছে? ৩%। মানুষ জানে বিষ খাচ্ছে, কিন্তু কিছু করতে পারে না। কোথায় যাবে, কাকে বলবে, কীভাবে প্রমাণ করবে, কিছুই জানা নেই।


পর্ব ৫: অন্যরা কীভাবে সমাধান করলো

খাদ্য ভেজাল শুধু বাংলাদেশের সমস্যা না। ভারত, চীন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, সবাই এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। কিন্তু কেউ কেউ সমাধানও করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কথা ধরুন। EU তে RASFF (Rapid Alert System for Food and Feed) নামে একটা ব্যবস্থা আছে। কোনো দেশে কোনো খাবারে সমস্যা ধরা পড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুরো EU তে সতর্কতা জারি হয়। পণ্য প্রত্যাহার হয়। জরিমানা এত বেশি যে ব্যবসায়ী আর ঝুঁকি নেয় না। ফলাফল? ভেজালের হার ১% এর নিচে।

ভারত আমাদের পাশের দেশ। ২০০৬ সালে FSSAI প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুরুতে দুর্বল ছিল, কিন্তু গত দশ বছরে তারা প্রতিটা রাজ্যে পরীক্ষাগার স্থাপন করেছে (২৬৫টি)। অনলাইন লাইসেন্সিং চালু করেছে। FoSTaC প্রোগ্রামে ২ কোটির বেশি খাদ্য ব্যবসায়ীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ভেজালের হার ২০১০ সালে ২৮% ছিল, ২০২৪ সালে ১৫% এ নেমেছে। এখনো আদর্শ না, কিন্তু অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে।

থাইল্যান্ড আরো এগিয়ে গেছে। Thai FDA খাদ্য উৎপাদনকারীদের কঠোর নিবন্ধনের আওতায় এনেছে। GMP সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করেছে। ভেজালের হার ৫% এর নিচে।

বাংলাদেশে BFSA প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৫ সালে, কিন্তু পুরোপুরি কার্যকর হয়নি আজও। জনবল কম, বাজেট কম, এখতিয়ার নিয়ে অন্য সংস্থার সাথে দ্বন্দ্ব। BSTI, IPH, BFSA, সিটি কর্পোরেশন, সবাই আলাদা আলাদা কাজ করছে, কোনো সমন্বয় নেই। ফলে কেউ দায়ী না, আর ভেজাল চলতেই থাকে।


পর্ব ৬: সমাধান অসম্ভব না

বাংলাদেশের মানুষ রাস্তায় নামে অনেক কারণে। বিদ্যুতের দাম বাড়লে নামে, জ্বালানির দাম বাড়লে নামে, কোটা নিয়ে নামে। কিন্তু ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে কেউ রাস্তায় নামে না। কারণ বিষটা দেখা যায় না। ফরমালিন অদৃশ্য, কীটনাশক অদৃশ্য, সীসা অদৃশ্য। প্রভাবও তাৎক্ষণিক না, বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে শরীর ভেঙে দেয়।

কিন্তু সংখ্যাগুলো মিথ্যা বলে না। ৫০% খাবারে ভেজাল। বছরে ৫৫,০০০ মৃত্যু খাদ্যজনিত রোগে। জিডিপির ২% ক্ষতি, ৯ বিলিয়ন ডলার। আর সরকারি বাজেট? মাথাপিছু বছরে ৭ টাকা।

সমাধান অসম্ভব না। ভারত করেছে, থাইল্যান্ড করেছে, EU করেছে। দরকার তিনটা জিনিস।

এক, পরীক্ষাগার সম্প্রসারণ। প্রতি জেলায় অন্তত একটি আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগার। বর্তমানে ১২টি আছে, দরকার ৬৪টি। খরচ? আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকা। শুনতে অনেক মনে হতে পারে, কিন্তু ভেজাল খাবারে বছরে যে ৯ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা) ক্ষতি হচ্ছে, তার তুলনায় এটা কিছুই না।

দুই, জরিমানা বৃদ্ধি। বর্তমান গড় জরিমানা ২০,০০০ টাকা। এটা ন্যূনতম ৫ লাখ টাকা করতে হবে। পুনরায় ধরা পড়লে কারখানা বন্ধ। ভেজাল দেওয়া লাভজনক না থাকলে কেউ ঝুঁকি নেবে না।

তিন, কোল্ড চেইন অবকাঠামো। ফরমালিন ব্যবহারের মূল কারণ হলো খাবার পচে যায়। সমাধান হলো পচতে না দেওয়া। ক্ষুদ্র কোল্ড স্টোরেজ, রেফ্রিজারেটেড ট্রান্সপোর্ট, বাজারে বরফ সরবরাহের নেটওয়ার্ক। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর কোল্ড চেইন ডেভেলপমেন্ট এটা করেছে। বাংলাদেশেও করা সম্ভব।

যতদিন না হচ্ছে, ততদিন কারওয়ান বাজারে প্রতি সকালে বিষ বিক্রি হবে। আর আমরা সেটা কিনে বাড়ি নিয়ে যাবো। পরিবারকে খাওয়াবো। জানবো না যে আমরা আমাদের সন্তানদের কী খাওয়াচ্ছি।

কে খাওয়াচ্ছে বিষ? উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী, সরকার, আর আমরা নিজেরা, যারা চুপ করে সয়ে যাচ্ছি।

Created: 2026-03-07 03:06:27 Updated: 2026-03-07 14:41:50