Back to publications
Narrative 2026-03-06

অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক অধিকার

নারীর মজুরি, সম্পত্তি, আর ক্ষমতার বৈষম্য

অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক অধিকার

পর্ব ১: একই কারখানা, ভিন্ন বেতন

আসমা আর রফিক দুজনেই ঢাকার আশুলিয়ায় একটা গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করে। একই ফ্লোর, একই লাইন, একই শিফট। সকাল আটটা থেকে রাত আটটা। সপ্তাহে ছয়দিন। কাজ একই: সেলাই, মান পরীক্ষা, প্যাকিং। দুজনেই তিন বছর ধরে কাজ করছে এই কারখানায়।

মাস শেষে রফিক পায় ১৫,০০০ টাকা। আসমা পায় ১২,৫০০ টাকা।

আসমা জিজ্ঞেস করেছিল একবার, "আমার বেতন কম কেন?" সুপারভাইজার বলেছিল, "তুমি তো মেয়ে, রাতে ওভারটাইম করতে পারো না।" কিন্তু আসমা জানে, রফিকও বেশিরভাগ সময় ওভারটাইম করে না।
১৫,০০০ টাকা
একই কারখানা, ভিন্ন বেতন
মাসে ১২,৫০০ টাকা
জমি, আইন, আর অদৃশ্য দেয়াল
৭২.৬%
যে সহিংসতার কথা কেউ বলে না

আসমা জিজ্ঞেস করেছিল একবার, "আমার বেতন কম কেন?" সুপারভাইজার বলেছিল, "তুমি তো মেয়ে, রাতে ওভারটাইম করতে পারো না।" কিন্তু আসমা জানে, রফিকও বেশিরভাগ সময় ওভারটাইম করে না। আসল কারণটা কেউ সরাসরি বলে না।

এবার একটু জুম আউট করুন।

বাংলাদেশের শ্রমশক্তিতে প্রায় ৩.৮ কোটি নারী কাজ করে। গার্মেন্টস, কৃষি, গৃহস্থালি কাজ, নির্মাণ, সেবা খাত, সর্বত্র। কিন্তু প্রতিটা খাতে তারা পুরুষের চেয়ে কম আয় করে। আনুষ্ঠানিক খাতে এই পার্থক্য গড়ে ২৩%। অনানুষ্ঠানিক খাতে ৪০% এর বেশি।

এই চার্টটা দেখুন:

কৃষিতে নারীরা পুরুষের চেয়ে ৩৭% কম আয় করে। নির্মাণে ৩৫%। গার্মেন্টসে ২৩%। এমনকি সরকারি চাকরিতেও ১২% পার্থক্য। কোনো খাত নেই যেখানে নারী আর পুরুষের আয় সমান।

"কিন্তু পার্থক্যটা কমছে তো?" অনেকে এই প্রশ্ন করবে। উত্তরটা জটিল। কিছুটা কমেছে, কিন্তু ধীরে। খুব ধীরে।

২০১০ সালে আনুষ্ঠানিক খাতে গড় মজুরি বৈষম্য ছিল ৩১%। ২০২৪ সালে সেটা কমে ২৩%। চৌদ্দ বছরে ৮ শতাংশ পয়েন্ট। এই গতিতে সমতা আসতে আরো চল্লিশ বছর লাগবে। মানে ২০৬৫ সাল। আসমার নাতনি হয়তো দেখবে সেই দিন।

কেন এই পার্থক্য টিকে আছে? কারণ তিনটা। প্রথমত, পেশাগত বিভাজন। নারীরা "নারীসুলভ" কাজে কেন্দ্রীভূত, যেমন সেলাই, পরিচর্যা, শিক্ষকতা। এই কাজগুলোর বেতন কাঠামোই কম। দ্বিতীয়ত, পদোন্নতির অভাব। নারীরা একই পদে থেকে যায়, সুপারভাইজার বা ম্যানেজার হওয়ার সুযোগ পায় কম। তৃতীয়ত, "নারীর কাজ" সমাজে কম মূল্যায়িত। একজন নারী যে গৃহস্থালি কাজ করে, সেটা অর্থনৈতিক হিসাবেই ধরা হয় না। জিডিপিতে যোগ হয় না।

আসমা শুধু একটা কারখানায় বৈষম্যের শিকার না। সে একটা পুরো ব্যবস্থার শিকার।


পর্ব ২: সংসদে নারী, ক্ষমতায় কই?

বাংলাদেশ একটা আশ্চর্য উদাহরণ। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় নারী সরকারপ্রধান ছিল এই দেশে। শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়া মিলিয়ে তিন দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলেন নারী প্রধানমন্ত্রী। সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত আসন আছে নারীদের জন্য। সরাসরি নির্বাচিত আসনেও ২০-২৫ জন নারী জেতেন।

কিন্তু সংখ্যাটা দেখলে যা মনে হয়, বাস্তবটা তা না।

সংসদে নারী সদস্যের শতাংশ বেড়েছে, ২০০১ সালে ৯% থেকে ২০২৪ সালে প্রায় ২১%। কিন্তু এই ২১% এর বেশিরভাগই সংরক্ষিত আসন, যেখানে সরকারি দলের মনোনয়ন পান নারীরা। তাদের নিজস্ব নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই। ক্ষমতা কাঠামোতে তাদের প্রভাব সীমিত।

আর আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কোথায়?

নেপাল ৩৪%। ভারত ১৫%। পাকিস্তান ২০%। বাংলাদেশ ২১%। শ্রীলঙ্কা ৫%। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ মাঝামাঝি। কিন্তু বিশ্বে? রুয়ান্ডায় ৬১%, সুইডেনে ৪৬%, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৪৫%। আমরা অনেক পেছনে।

সংসদে থাকা আর ক্ষমতা থাকা এক কথা না। আসল প্রশ্ন হলো: নীতিনির্ধারণে নারীর কণ্ঠ কতটুকু? মন্ত্রিসভায় কতজন নারী? সচিব পদে কতজন? জেলা প্রশাসক কতজন? পুলিশ সুপারের পদে? বিচারপতির আসনে?

V-Dem এর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সূচক এই বাস্তবতা ধরে।

V-Dem এর নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সূচকে বাংলাদেশ ০.৫৭ (০ থেকে ১ স্কেলে)। নেপাল ০.৬৫। ভারত ০.৪৩। পাকিস্তান ০.৩১। সংখ্যায় আমরা মোটামুটি, কিন্তু প্রকৃত প্রভাব পরিমাপ করলে দেখা যায়, নারীরা নীতি প্রণয়নে প্রান্তিক। সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যরা অনেক সময় দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কথা বলতে পারেন না। কমিটির চেয়ারম্যান হন কমই। বাজেট আলোচনায় তাদের কণ্ঠ ক্ষীণ।

একটা দেশ যেখানে তিন দশক ধরে নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেখানে সাধারণ নারীর ক্ষমতায়ন কেন এত পিছিয়ে? কারণ শীর্ষে একজন নারী থাকা আর কাঠামোগত সমতা থাকা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।


পর্ব ৩: জমি, আইন, আর অদৃশ্য দেয়াল

আসমার কথা ভুলে যাননি তো? সে প্রতি মাসে ১২,৫০০ টাকা পায়। ধরুন, তার বাবা মারা গেলেন। বাবার আছে দুই বিঘা জমি। আসমার একটা ভাই আছে। ইসলামি উত্তরাধিকার আইনে আসমা পাবে এক-তৃতীয়াংশ, ভাই পাবে দুই-তৃতীয়াংশ। মানে আসমা পাবে ০.৬৭ বিঘা, ভাই পাবে ১.৩৩ বিঘা।

কিন্তু বাস্তবে কী হয়? অনেক ক্ষেত্রে আসমা কিছুই পায় না। ভাই বলে, "তুই তো বিয়ে করে চলে গেছিস, জমি আমারই থাকবে।" পরিবার, সমাজ, প্রতিবেশী, সবাই এটা মেনে নেয়। আসমা আদালতে যেতে পারে, কিন্তু মামলায় বছরের পর বছর লাগে, খরচ আছে, সামাজিক চাপ আছে।

আর আসমা যদি হিন্দু পরিবারের মেয়ে হতো? তাহলে তো উত্তরাধিকার আইনে (হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ১৯২৫, অবিভক্ত ভারতের আইন, বাংলাদেশে এখনো চালু) তার অধিকার আরো কম। পুত্র থাকলে কন্যা সম্পত্তি পায় না।

ইসলামি আইনে কন্যা পায় পুত্রের অর্ধেক। হিন্দু আইনে, পুত্র থাকলে কন্যা শূন্য। খ্রিষ্টান আইনে তুলনামূলক সমান। কিন্তু বাংলাদেশের ৯০% মুসলিম আর ৮% হিন্দু জনগোষ্ঠীতে এই দুটো আইনই বেশিরভাগ নারীকে প্রভাবিত করে।

আর ফলাফল? কৃষি জমির মালিকানায় নারীর অবস্থান দেখুন:

বাংলাদেশে কৃষি জমির মাত্র ৪% নারীর নামে নিবন্ধিত। ভারতে ১৩%। নেপালে ২৬%। ফিলিপাইনে ৩২%। বিশ্ব গড় ১৫%।

৪%। মানে প্রতি ২৫ বিঘা জমির মাত্র ১ বিঘা নারীর নামে। একটা দেশ যেখানে কৃষি এখনো জীবিকার প্রধান উৎস, সেখানে জমির মালিকানা না থাকা মানে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে কোনো অংশ না থাকা। ব্যাংক ঋণ পাওয়ার জামানত না থাকা। দরকষাকষির ক্ষমতা না থাকা।

জমি শুধু সম্পদ না। জমি হলো ক্ষমতা। আর সেই ক্ষমতা থেকে নারীরা প্রায় সম্পূর্ণ বঞ্চিত।


পর্ব ৪: যে সহিংসতার কথা কেউ বলে না

আসমা কারখানায় কম বেতন পায়। উত্তরাধিকারে জমি পায় না। কিন্তু সবচেয়ে ভারী বোঝাটা সে বহন করে ঘরে ফিরে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) "ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন সার্ভে ২০১৫" অনুযায়ী, বিবাহিত নারীদের ৭২.৬% জীবনে অন্তত একবার স্বামীর হাতে শারীরিক, যৌন, মানসিক বা অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এটা ২০১৫ সালের তথ্য, সর্বশেষ জাতীয় জরিপ।

৭২.৬%। প্রতি চারজনে তিনজন।

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের এই হার সবচেয়ে বেশি। ভারতে ২৯%। পাকিস্তানে ৩৯%। নেপালে ২৬%। শ্রীলঙ্কায় ২৫%। আফগানিস্তানে ৪৬%। বিশ্ব গড় ২৭%। বাংলাদেশ প্রায় তিনগুণ।

"এটা তো পুরনো তথ্য, এখন কমেছে।" এমন কথা শোনা যায়। কিন্তু ২০২২ সালের UNFPA জরিপে দেখা গেছে, কোভিডের সময় ঘরোয়া সহিংসতা বেড়েছে ৪০%। সাম্প্রতিক গবেষণায় সংখ্যা তেমন কমেনি।

কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো: এই নির্যাতনের পরে কী হয়? আসমা যদি নির্যাতনের শিকার হয়, সে কি অভিযোগ করতে পারে? বিচার পায়?

এটা একটা ফানেল। শুরুতে ১০০ জন নির্যাতিত নারী। তাদের মধ্যে ৩৫ জন কাউকে জানায় (পরিবার বা বন্ধু)। ১০ জন থানায় অভিযোগ করে। ৫ জনের মামলা গৃহীত হয়। ২ জনের মামলায় চার্জশিট হয়। ১ জনের মামলায় সাজা হয়। ১০০ জনের মধ্যে ১ জন। বিচারহীনতার হার ৯৯%।

কেন রিপোর্ট করে না? কারণ সামাজিক লজ্জা। "লোকে কী বলবে?" পরিবারের চাপ। "সংসার ভাঙলে ছেলেমেয়ে কোথায় যাবে?" অর্থনৈতিক নির্ভরতা। "চাকরি নেই, জমি নেই, স্বামী ছাড়া যাবো কোথায়?" থানায় গেলে পুলিশের মনোভাব। "ঘরের ব্যাপার ঘরে মেটাও।" আদালতে গেলে বছরের পর বছর। সাক্ষীর অভাব। প্রমাণের অভাব। "স্বামী মেরেছে তো কী হয়েছে?"

এই চক্রটা দেখুন: কম বেতন মানে অর্থনৈতিক নির্ভরতা। অর্থনৈতিক নির্ভরতা মানে সহিংসতা থেকে বের হতে না পারা। সহিংসতা মানে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি। ক্ষতি মানে কাজের ক্ষমতা কমা। কাজের ক্ষমতা কমা মানে আরো কম আয়। চক্র আবার শুরু।


পর্ব ৫: সমতা কি সম্ভব?

এতক্ষণ আমরা যা দেখলাম, সেটা সংক্ষেপে বলি। বাংলাদেশে একজন নারী পুরুষের চেয়ে ২৩-৪০% কম আয় করে। সম্পত্তির মাত্র ৪% নারীর নামে। সংসদে নারীর উপস্থিতি আছে কিন্তু ক্ষমতা সীমিত। ৭৩% বিবাহিত নারী নির্যাতনের শিকার। বিচার পায় ১%।

এই সবগুলো পৃথক সমস্যা না। এগুলো একটা কাঠামোর অংশ। মজুরি বৈষম্য, সম্পত্তি বঞ্চনা, রাজনৈতিক প্রান্তিকতা, সহিংসতা, সবগুলো একে অপরকে শক্তিশালী করে।

UNDP এর লিঙ্গ বৈষম্য সূচক (GII) এই সামগ্রিক চিত্র দেখায়:

বাংলাদেশের GII সূচক ২০১০ সালে ছিল ০.৫৩৬। ২০২৩ সালে ০.৩৮৯। কমেছে, কিন্তু ধীরে। এই সূচকে ০ মানে সম্পূর্ণ সমতা, ১ মানে সম্পূর্ণ বৈষম্য। ০.৩৮৯ মানে আমরা এখনো মাঝপথে আছি। বিশ্বের ১৯৩ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২২তম। দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কা (৮৯তম) আর মালদ্বীপ (৮৫তম) আমাদের চেয়ে ভালো।

কিন্তু আশার কথা হলো: উন্নতি সম্ভব। রুয়ান্ডা দেখিয়েছে, গণহত্যার পরেও একটা দেশ সংসদে ৬১% নারী প্রতিনিধিত্ব অর্জন করতে পারে। ভিয়েতনাম দেখিয়েছে, মজুরি বৈষম্য ১০% এর নিচে নামানো সম্ভব। ভারতের কেরালা দেখিয়েছে, স্থানীয় সরকারে ৫০% নারী সংরক্ষণ কাজ করে।

কী করলে পরিবর্তন আসবে?

প্রথমত, সমান মজুরি আইন কার্যকর করা। বাংলাদেশে শ্রম আইনে সমান কাজের জন্য সমান মজুরির কথা আছে, কিন্তু প্রয়োগ নেই। শ্রম পরিদর্শকদের ক্ষমতা বাড়াতে হবে, জরিমানা কার্যকর করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সম্পত্তি আইন সংস্কার। এটা সংবেদনশীল, ধর্মীয় আইন জড়িত। কিন্তু একটা বিকল্প আছে: যৌথ জমি নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা। মানে সরকারি জমি বরাদ্দ, খাস জমি বিতরণ, গৃহায়ণ প্রকল্প, সবখানে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের নাম থাকবে। এটা উত্তরাধিকার আইন বদলানো না, কিন্তু নতুন সম্পত্তিতে নারীর অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা।

তৃতীয়ত, সংসদে সরাসরি নির্বাচিত আসনে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। সংরক্ষিত আসনের বদলে (বা সাথে) প্রতিটি দলকে ন্যূনতম ৩৩% নারী প্রার্থী মনোনয়ন বাধ্যতামূলক করা।

চতুর্থত, ঘরোয়া সহিংসতা আইন (২০১০) এর প্রয়োগ জোরদার করা। ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার প্রতি উপজেলায় চালু করা। আশ্রয়কেন্দ্র বাড়ানো। আইনি সহায়তা বিনামূল্যে করা।


আসুন শেষ করি যেখানে শুরু করেছিলাম।

আসমা আজকেও সকাল আটটায় কারখানায় ঢুকবে। রাত আটটায় বের হবে। ১২,৫০০ টাকা পাবে। পাশের লাইনে রফিক ১৫,০০০ পাবে। আসমা ভাবতেও পারবে না যে বাবার জমিতে তার সমান অধিকার আছে। ঘরে স্বামী হাত তুললে সে চুপ থাকবে, কারণ যাওয়ার জায়গা নেই। তার মেয়ে ফাতিমা স্কুলে যাচ্ছে, সেটা ভালো খবর। কিন্তু ফাতিমা বড় হয়ে কি একই কারখানায় দাঁড়াবে, একই বৈষম্য নিয়ে?

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শিল্পে বিশ্বে দ্বিতীয়। এই শিল্পের ৮০% শ্রমিক নারী। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গল্প আসলে নারীর গল্প। কিন্তু সেই নারীরা অর্ধেক মজুরি পায়, অর্ধেক সম্পত্তি পায় (বা পায় না), অর্ধেক অধিকার পায়।

অর্ধেক মানুষকে অর্ধেক অধিকার দিয়ে কি একটা দেশ পুরোপুরি এগোতে পারে?

Created: 2026-03-07 03:06:27 Updated: 2026-03-07 14:41:50