Back to publications
Narrative 2026-03-06

১০ লাখ রোহিঙ্গা, তারপর?

বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরের সাত বছর

১০ লাখ রোহিঙ্গা, তারপর?

পর্ব ১: যে শিশু মিয়ানমার দেখেনি

নাম ধরুন ইয়াসমিন। বয়স ছয়। কুতুপালং ক্যাম্পের ব্লক সি-৪ এ জন্ম। মিয়ানমার কোথায় সে জানে না। তার পরিচয়পত্র নেই, জন্মনিবন্ধন নেই, নাগরিকত্ব নেই। কোনো দেশের নাগরিক না সে। পৃথিবীর মানচিত্রে তার কোনো ঠিকানা নেই।

ইয়াসমিনের মা ফাতেমা আগস্ট ২০১৭ সালে পালিয়ে এসেছিল। রাখাইনে তখন সেনাবাহিনীর অভিযান চলছে। গ্রাম পোড়ানো হচ্ছে, মানুষ মারা হচ্ছে, নারীদের উপর নির্যাতন চলছে। ফাতেমা নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছিল। সাথে তার স্বামী, দুই সন্তান, আর শাশুড়ি। স্বামী পথে নিখোঁজ হয়ে গেছে। আজ পর্যন্ত খবর নেই।

কিন্তু সাত বছর পরে প্রশ্ন: এই মানবিকতার বোঝা কে বহন করছে? আর কতদিন?
১০ লাখ মানুষ
যে শিশু মিয়ানমার দেখেনি
৪০০-৫০০ টাকা
প্রতিবেশীর মূল্য
৭২%
ঘনত্বের দুঃস্বপ্ন

সাত বছর হলো। ফাতেমা এখনো কুতুপালং-এ আছে। তার ঘর, বাঁশ আর তারপলিনের তৈরি, ১০ ফুট বাই ৮ ফুটের একটা চৌকো জায়গা। এখানেই চারজন ঘুমায়, রান্না করে, বাচ্চা বড় করে। বর্ষায় পানি ঢোকে, ঝড়ে ছাদ উড়ে যায়, শীতে কাঁপে।

ইয়াসমিন কখনো স্কুলে যায়নি। ক্যাম্পে "লার্নিং সেন্টার" আছে, কিন্তু সেখানে মিয়ানমার কারিকুলাম পড়ানো হয় না, বাংলাদেশ কারিকুলামও না। কোনো স্বীকৃত সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না। ইয়াসমিন যদি ২০ বছর বয়সেও এই ক্যাম্পে থাকে, তার কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকবে না, কোনো দক্ষতা থাকবে না, কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না।

এটা একটা শিশুর গল্প। এবার জুম আউট করুন।

ইয়াসমিনের মতো কুতুপালং ক্যাম্পে এবং আশপাশের ৩৩টা ক্যাম্পে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির। একটা মানচিত্রের বিন্দুতে ১০ লাখ মানুষ, যাদের কোনো দেশ নেই।

এই চার্টটা দেখুন। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রথমবার আসেনি ২০১৭ সালে। ১৯৭৮ সালে প্রথম ঢেউ এসেছিল, প্রায় ২ লাখ মানুষ। তারপর ১৯৯১-৯২ সালে আরেকটা ঢেউ, আড়াই লাখ। কিন্তু ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে যা হলো সেটা অভূতপূর্ব। মাত্র কয়েক সপ্তাহে ৭ লাখের বেশি মানুষ সীমান্ত পার করে চলে এলো। ইতিহাসের দ্রুততম শরণার্থী স্রোতগুলোর একটি।

বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে। বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র এবং ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হয়েও দরজা বন্ধ করেনি। এটা মানবিকতার একটা অসাধারণ নজির।

কিন্তু সাত বছর পরে প্রশ্ন: এই মানবিকতার বোঝা কে বহন করছে? আর কতদিন?


পর্ব ২: ঘনত্বের দুঃস্বপ্ন

কুতুপালং-বালুখালী ক্যাম্প কমপ্লেক্স পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জায়গাগুলোর একটি। ৬,০০০ একরের কম জায়গায় ১০ লাখ মানুষ। প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৪০,০০০ জন। এটা ঢাকার ঘনত্বের দ্বিগুণেরও বেশি।

এই চার্টটা দেখুন। কুতুপালং ক্যাম্পের জনসংখ্যার ঘনত্ব ঢাকার দ্বিগুণ, হংকং-এর চার গুণ। পৃথিবীতে এত ঘনবসতিতে মানুষ রাখার নজির নেই বললেই চলে।

কিন্তু ঘনত্ব শুধু একটা সংখ্যা না। ঘনত্বের মানে হলো: প্রতিটা ল্যাট্রিনে ২০-২৫ জন ব্যবহারকারী। পানির ট্যাপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন। রোগের বিস্তার দ্রুত, ডিপথেরিয়া, কলেরা, ডেঙ্গু। আগুন লাগলে মিনিটেই হাজার হাজার ঘর পুড়ে যায় (২০২১ সালে একটা আগুনে ১০,০০০ আশ্রয় ধ্বংস হয়েছিল)। বাচ্চাদের খেলার জায়গা নেই। নারীদের নিরাপদ জায়গা নেই। রাতে আলো নেই বেশিরভাগ এলাকায়।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রথম দিকে দ্রুত সাড়া দিয়েছিল। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, ইউনিসেফ, WHO, IOM, শত শত এনজিও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি সাত বছর ধরে "জরুরি" থাকতে পারে না। সেখানেই সমস্যা।

এই চার্টটা দেখুন। জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান (JRP) প্রতি বছর যত টাকা চায়, তার পুরোটা কখনো পায়নি। ২০১৮ সালে চাহিদার ৭২% পূরণ হয়েছিল। তারপর থেকে ক্রমাগত কমেছে। ২০২৫ সালে মাত্র ৪৫% এর কাছাকাছি। মানে অর্ধেকের বেশি চাহিদা অপূরণ।

আর মাথাপিছু হিসেবে ছবিটা আরও ভয়ংকর। ২০১৮ সালে প্রতি রোহিঙ্গার পেছনে খরচ হয়েছিল প্রায় ৭৫৮ ডলার। ২০২৫ সালে সেটা নেমে এসেছে প্রায় ৩৫০ ডলারের কাছে। একজন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে দিনে এক ডলারেরও কম। খাবার রেশন কমানো হয়েছে। আগে মাসে ১২ ডলারের ভাউচার পেত, এখন ৮ ডলার। পেট ভরে খেতে পারে না।

ফান্ডিং ফ্যাটিগ, এটাই বাস্তবতা। ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা সংকট, সুদান সংঘাত, বিশ্বে নতুন নতুন সংকট আসছে। দাতারা নতুন সংকটে মনোযোগ দিচ্ছে। রোহিঙ্গা? "সেটা তো পুরনো সমস্যা।" কিন্তু ক্যাম্পের ইয়াসমিনের জন্য সমস্যাটা প্রতিদিনের।


পর্ব ৩: যে বন আর নেই

২০১৭ সালের আগে উখিয়া আর টেকনাফ উপজেলায় যেখানে এখন ক্যাম্প, সেখানে ছিল পাহাড়ি বন। এলিফ্যান্ট করিডোর, যেখান দিয়ে এশিয়ান হাতি চলাচল করত। জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটা এলাকা।

চার্টটা দেখুন। ২০১৭ সালের আগে উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় বনাচ্ছাদন ছিল প্রায় ১৫,৫০০ একর। ২০১৮ সালের মধ্যে প্রায় ৬,০০০ একর বন পরিষ্কার হয়ে গেছে, ক্যাম্প বসানো ও জ্বালানি কাঠের জন্য। বর্তমানে বনাচ্ছাদন এর আগের পরিমাণের অর্ধেকেরও কম।

পরিবেশগত ক্ষতির তালিকাটা দীর্ঘ। পাহাড় কাটা হয়েছে ক্যাম্পের জায়গা করতে। ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়েছে কয়েক গুণ। ২০২১ সালে ভূমিধসে ক্যাম্পে ১৮ জন মারা গিয়েছিল। প্রতি বর্ষায় একই ভয়। এলিফ্যান্ট করিডোর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হাতি ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে, মানুষ আহত হয়, হাতিও আহত হয়। ২০১৭ থেকে ক্যাম্পে হাতির আক্রমণে কমপক্ষে ১৬ জন মারা গেছে। পানির উৎস দূষিত হয়েছে। নলকূপে আর্সেনিক পাওয়া যাচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে গেছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কৃষি জমিতে পানির অভাব হচ্ছে। জৈব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপ্রতুল। ক্যাম্পের বর্জ্য নালা দিয়ে নদীতে যাচ্ছে, সেখান থেকে সমুদ্রে।

UNDP এর একটা গবেষণায় বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটে কক্সবাজার জেলার পরিবেশগত ক্ষতি কমপক্ষে ২৮০ মিলিয়ন ডলার। এই ক্ষতি পূরণ করতে দশকের পর দশক লাগবে। কিছু ক্ষতি অপূরণীয়।

আর এই পরিবেশগত বিপর্যয়ের সরাসরি শিকার হচ্ছে স্থানীয় জনগোষ্ঠী। তাদের জীবনে কী হয়েছে?


পর্ব ৪: প্রতিবেশীর মূল্য

কুতুপালং ক্যাম্প থেকে দুই কিলোমিটার দূরে একটা গ্রাম। সেখানে রহিম চাচা থাকেন। বয়স পঞ্চাশের কোঠায়। দিনমজুর। ২০১৭ সালের আগে উখিয়ায় দিনমজুরির হাজিরা ছিল ৪০০-৫০০ টাকা। এখন? ২৫০-৩০০ টাকা।

কেন কমলো? কারণ রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের বাইরে কাজ খোঁজে (আইনত তাদের কাজ করার অনুমতি নেই, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন)। তারা ১৫০-২০০ টাকায় কাজ করতে রাজি। নিয়োগকর্তারা সস্তা শ্রম পাচ্ছে। স্থানীয় শ্রমিকরা কাজ হারাচ্ছে অথবা কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে।

চার্টটা দেখুন। কক্সবাজার জেলায় দিনমজুরদের মজুরি ২০১৭ সালের পরে ৩০-৪০% কমেছে। কৃষি শ্রমিক, রিকশাচালক, নির্মাণ শ্রমিক, সবাই ক্ষতিগ্রস্ত।

শুধু মজুরি না। জমির দাম বেড়েছে (এনজিও অফিস, গুদাম ভাড়ায়)। ভাড়া বেড়েছে। জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, কারণ ক্যাম্পের জন্য বিশাল চাহিদা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে।

এই চার্টটা দেখুন। কক্সবাজার জেলার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে রোগীর চাপ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ক্যাম্পের ভেতরে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে, কিন্তু অনেক রোহিঙ্গা স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে যায়, কারণ ক্যাম্পের সেবা পর্যাপ্ত না। ফলে স্থানীয় মানুষ সেবা পাচ্ছে কম।

সামাজিক উত্তেজনাও বাড়ছে। ২০১৭ সালের প্রথম দিকে স্থানীয়রা সহানুভূতিশীল ছিল। অনেকে নিজের খাবার, কাপড় ভাগ করে দিয়েছে। কিন্তু সাত বছরের চাপে সেই সহানুভূতি ক্ষয়ে যাচ্ছে। মাদক পাচার বেড়েছে, ক্যাম্পে ইয়াবা ঢুকছে এবং স্থানীয় এলাকায় ছড়াচ্ছে। অপরাধ বেড়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ক্যাম্পের ভেতরে প্রভাব বিস্তার করছে, ARSA এবং অন্যান্য। ক্যাম্পে খুনের ঘটনাও বাড়ছে।

রোহিঙ্গাদের সন্তানদের অবস্থা আরও করুণ।

এই চার্টটা দেখুন। ক্যাম্পে স্কুলবয়সী শিশুদের মধ্যে মাত্র ২৯% কোনো না কোনো শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। বাকি ৭১% সম্পূর্ণ শিক্ষার বাইরে। আর যারা "শিক্ষা" পাচ্ছে, তার মান নিয়ে প্রশ্ন আছে, কারণ কোনো স্বীকৃত পাঠ্যক্রম অনুসরণ করা হচ্ছে না। মিয়ানমার কারিকুলাম পাইলট আকারে ২০২৩ সালে শুরু হয়েছে, কিন্তু এখনো খুবই সীমিত পরিসরে।

এক প্রজন্ম পুরোপুরি হারিয়ে যাচ্ছে। ইয়াসমিনের মতো লাখ লাখ শিশু, যারা না পড়তে পারছে, না শিখতে পারছে, না কিছু হতে পারছে। তারা বড় হচ্ছে ক্যাম্পের চার দেয়ালের মধ্যে, কোনো দিগন্ত ছাড়া।


পর্ব ৫: ফেরার পথ নেই, এগোনোর পথও নেই

তাহলে সমাধান কী? প্রত্যাবাসন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো? সেটাই তো সবাই বলে।

এই চার্টটা দেখুন। ২০১৮ সাল থেকে কমপক্ষে পাঁচবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই ব্যর্থ। কারণ সোজা: রোহিঙ্গারা ফিরতে চায়, কিন্তু নিরাপত্তা চায়। তারা নাগরিকত্ব চায়। তারা তাদের জমি ফেরত চায়। মিয়ানমার এগুলোর কোনোটাই দিতে রাজি না। ২০২১ সালে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। গৃহযুদ্ধ চলছে। প্রত্যাবাসন এখন দূরের স্বপ্ন।

আর বাংলাদেশ নিজে কত খরচ করছে এই সংকটে?

এই চার্টটা দেখুন। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে রোহিঙ্গা সংকটে খরচ ক্রমাগত বেড়েছে। ভাসানচরে স্থানান্তর প্রকল্প, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো, প্রশাসনিক খরচ, সব মিলিয়ে সাত বছরে বাংলাদেশ নিজের পকেট থেকে কমপক্ষে ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে (ERD অনুমান অনুযায়ী এটা আরও বেশি হতে পারে)। একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটা বিশাল বোঝা।

তাহলে সামনে কী?

তিনটা পথ আছে। প্রত্যাবাসন, যেটা নিকট ভবিষ্যতে অসম্ভব। তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন, যেটা চলছে কিন্তু খুবই ধীর গতিতে (প্রতি বছর মাত্র কয়েক হাজার)। আর স্থানীয় সমাধান, যার মানে ক্যাম্পে থাকা মানুষদের কিছুটা হলেও স্বাবলম্বী করা, শিক্ষা দেওয়া, দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া, সীমিত পরিসরে হলেও জীবিকার সুযোগ দেওয়া।

কিন্তু বাংলাদেশ একা এটা বহন করতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।


আসুন শেষ করি যেখানে শুরু করেছিলাম।

কুতুপালংয়ে ইয়াসমিন আজ রাতেও তারপলিনের ঘরে ঘুমাবে। তার মা ফাতেমা কমে যাওয়া রেশন দিয়ে কোনোরকমে খাবার তৈরি করবে। কাল সকালে ইয়াসমিন হয়তো লার্নিং সেন্টারে যাবে, হয়তো যাবে না। সে বড় হচ্ছে কোনো দেশ ছাড়া, কোনো পরিচয় ছাড়া, কোনো ভবিষ্যৎ ছাড়া।

আর রহিম চাচা তার গ্রামে কম মজুরিতে কাজ করবে। মাঝে মাঝে ভাববে, আগে ভালো ছিল। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দিকে তাকালে জানে, তাদের অবস্থা তার চেয়ে অনেক খারাপ। একজন গরিব, আরেকজন আরও গরিব, দুজনের মধ্যে লড়াই। আর লাভ কার?

বাংলাদেশ একটা মানবিক অসাধারণ কাজ করেছে ১০ লাখ মানুষকে আশ্রয় দিয়ে। কিন্তু সাত বছর পর এই মানবিকতা একটা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। পরিবেশ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় অর্থনীতি চাপে পড়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমছে।

প্রশ্নটা সোজা: ১০ লাখ রোহিঙ্গা, তারপর? এই মানুষগুলো কোথায় যাবে? তাদের সন্তানরা কী হবে? ইয়াসমিনের ভবিষ্যৎ কী?

বিশ্ব কি উত্তর দেবে, নাকি ভুলে যাবে?

Created: 2026-03-07 03:06:27 Updated: 2026-03-07 14:41:50